ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রতি বুধবার কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতালে রোগী দেখবেন ও অপারেশন করবেন শিশু সার্জন ও ইউরোলজিস্ট বার্ন)রিকনস্ট্রাকটিভ ও কসমোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ শরীয়তপুর পৌরসভার ধানুকা এলাকায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সোনার পাড়ায় জালিয়াপালং ইউনিয়ন (উত্তর শাখা) বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে *অরিজিন হাসপাতাল ১দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🗓️ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোজ: বৃহস্পতিবার📍 স্থান: অরিজিন হাসপাতাল, কোটবাজার,উখিয়া কক্সবাজার। মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জামায়াত নেতার ভিডিও’- শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি উখিয়া উপজেলা জামায়াতের। 

জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে অ/ন্তরঙ্গ ভিডিও ফাস হলো যেভাবে

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে দায়ী করেছেন।

বিবৃতিতে দেওয়া তার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে বর্ণনা করছি যে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মারিয়াম বেগম এবং মারিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত গাড়িযোগে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়ী অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। বেশ কিছু সময় পর সে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে আবার চলে যায়। কিছুক্ষণ পর সে পুনরায় ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেন। সাথে সাথে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে আমাদের উপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে কৈফিয়ত দাবি করে। তারা আমাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে নিচে ৩-৪টি ঠিকাদারের দোকানে নিয়ে যায় এবং ১ লাখ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পর তারা আমাদের সম্মানজনকভাবে সেখান থেকে যাওয়ার সুযোগ দেয়।

ইতোমধ্যে আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এরপর আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ আমাকে ফোন করে জানায় যে, মগবাজারের চাঁদাবাজদের হাত থেকে গাড়ি ছাড়াতে হলে আমার কাছে ৫ লাখ এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাই মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। তবে প্রকৃত ঘটনা হলো, এই সমস্ত চক্রান্তের মূল নায়ক ছিল আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ।

গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের সাথে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর দীর্ঘদিন ধরে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলছিল। অতীতে তাদের সম্পর্ক বেশ খারাপ হলেও বর্তমানে বাহ্যিক উন্নতি হলেও অভ্যন্তরীণ বিরোধ শেষ হয়নি। গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ চক্রান্ত করে আমাকে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং আমার শ্বশুরের গাড়ি জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে জনাব মাছুম বিল্লাহ বুদ্ধিমত্তার সাথে পরদিন রাত প্রায় ১২টার দিকে এক আত্মীয়ের (থানার চাকরিরত এসআই আমিনুর) সহায়তায় বিমানবন্দর সড়ক এলাকা থেকে গাড়ি ও গাড়িচালককে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে মারধর করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয়— সে দেখে নেবে এবং আমার স্ত্রীর জীবন তার হাতের মুঠোয় রয়েছে।

বশবর্তী হয়ে পূর্বে ওই অফিস কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণকৃত আমাদের স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ফুটেজ মিডিয়ায় প্রচার করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি, হিংসাত্মক, চক্রান্তমূলক এবং আমার বা আমাদের চরিত্র হননের সামিল।

আমি ও আমরা গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর এহেন চক্রান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং চরিত্র হননের মতো অপকর্মের জন্য তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর

জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে অ/ন্তরঙ্গ ভিডিও ফাস হলো যেভাবে

আপডেট সময় ০২:১৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে দায়ী করেছেন।

বিবৃতিতে দেওয়া তার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে বর্ণনা করছি যে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মারিয়াম বেগম এবং মারিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত গাড়িযোগে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়ী অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। বেশ কিছু সময় পর সে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে আবার চলে যায়। কিছুক্ষণ পর সে পুনরায় ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেন। সাথে সাথে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে আমাদের উপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে কৈফিয়ত দাবি করে। তারা আমাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে নিচে ৩-৪টি ঠিকাদারের দোকানে নিয়ে যায় এবং ১ লাখ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পর তারা আমাদের সম্মানজনকভাবে সেখান থেকে যাওয়ার সুযোগ দেয়।

ইতোমধ্যে আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এরপর আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ আমাকে ফোন করে জানায় যে, মগবাজারের চাঁদাবাজদের হাত থেকে গাড়ি ছাড়াতে হলে আমার কাছে ৫ লাখ এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাই মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। তবে প্রকৃত ঘটনা হলো, এই সমস্ত চক্রান্তের মূল নায়ক ছিল আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ।

গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের সাথে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর দীর্ঘদিন ধরে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলছিল। অতীতে তাদের সম্পর্ক বেশ খারাপ হলেও বর্তমানে বাহ্যিক উন্নতি হলেও অভ্যন্তরীণ বিরোধ শেষ হয়নি। গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ চক্রান্ত করে আমাকে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং আমার শ্বশুরের গাড়ি জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে জনাব মাছুম বিল্লাহ বুদ্ধিমত্তার সাথে পরদিন রাত প্রায় ১২টার দিকে এক আত্মীয়ের (থানার চাকরিরত এসআই আমিনুর) সহায়তায় বিমানবন্দর সড়ক এলাকা থেকে গাড়ি ও গাড়িচালককে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে মারধর করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয়— সে দেখে নেবে এবং আমার স্ত্রীর জীবন তার হাতের মুঠোয় রয়েছে।

বশবর্তী হয়ে পূর্বে ওই অফিস কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণকৃত আমাদের স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ফুটেজ মিডিয়ায় প্রচার করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি, হিংসাত্মক, চক্রান্তমূলক এবং আমার বা আমাদের চরিত্র হননের সামিল।

আমি ও আমরা গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর এহেন চক্রান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং চরিত্র হননের মতো অপকর্মের জন্য তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।