ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রতি বুধবার কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতালে রোগী দেখবেন ও অপারেশন করবেন শিশু সার্জন ও ইউরোলজিস্ট বার্ন)রিকনস্ট্রাকটিভ ও কসমোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ শরীয়তপুর পৌরসভার ধানুকা এলাকায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সোনার পাড়ায় জালিয়াপালং ইউনিয়ন (উত্তর শাখা) বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে *অরিজিন হাসপাতাল ১দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🗓️ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোজ: বৃহস্পতিবার📍 স্থান: অরিজিন হাসপাতাল, কোটবাজার,উখিয়া কক্সবাজার। মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জামায়াত নেতার ভিডিও’- শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি উখিয়া উপজেলা জামায়াতের। 

উখিয়া হলদিয়ার হলুদবনিয়ায় শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে করা রাস্তাটি  মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

উখিয়া হলদিয়ার হলুদবনিয়ায় শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে করা রাস্তাটি  মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম 

কক্সবাজার  উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হলুদবনিয়ায় দারুস সালাম মাদ্রাসা থেকে শাহাব মিয়ার বাড়ি হয়ে আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত রাস্তাটি স্থানীয়দের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৮ সালে শাহাব মিয়া নিজস্ব অর্থায়নে দারুস সালাম মাদ্রাসা থেকে তাঁর বাড়ি ও আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা ও সেতু নির্মাণ করেন। বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ ও আদর্শ গ্রামের বাসিন্দারা নিয়মিত যাতায়াত করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনও চলাচল করছে।

হলুদবনিয়া দারুস সুন্নাহ আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা, স্থানীয় বাসিন্দা হাজী আলী আহমদ, রহমত আলী, বসু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুস সালাম, আলমগীর এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর কোম্পানিসহ এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে রাস্তাটি ব্যবহার উপযোগী রয়েছে। তাদের যাতায়াতে  কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

স্থানীয়রা আরও জানান, আদর্শ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে শাহাব মিয়া দক্ষিণ দিক দিয়ে আরও একটি রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন। ওই অংশেও তাঁর দলিলভুক্ত জায়গা রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। ফলে আদর্শ গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য বর্তমানে দুটি রাস্তা রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, শাহাব মিয়ার বাড়ি থেকে আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তাটি পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ভূমির তুলনায় সামান্য উঁচু। এটি আনুমানিক এক ফুট উঁচু হলেও পাহাড়ি এলাকার স্বাভাবিক ঢালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানান তারা।

এ এলাকায় টিলা ও উঁচু-নিচু পাহাড় থাকায় অনেক রাস্তা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা উঁচু ভূমির ওপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে চলাচলের উপযোগী রাস্তা থেকে পাহাড়ি মাটি কেটে নিচু করার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, মাটি কাটা হলে রাস্তার মাঝখানে গভীর গর্ত বা নিচু অংশ তৈরি হতে পারে। এতে দুই পাশের বসতবাড়ির মাটি সরে গিয়ে দেয়াল ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।তাদের আরও আশঙ্কা, রাস্তা নিচু করে দিলে ভবিষ্যতে পাহাড়ি পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রিরও পরিকল্পনা থাকতে পারে। 

স্হানীয় গ্রামের  মো. জসিম বলেন, রাস্তার মাটি কাটা হলে স্থানীয়  লোকজনের চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং আশপাশের বসতবাড়িও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আলম জানান, বর্তমানে তাদের যাতায়াতে কোনো সমস্যা নেই। সুন্দরভাবেই মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। আয়াজ উদ্দিন, আবুল কালাম, রহিম আলী  ও নুরুল আমিনও জানান, তাদের জন্য বর্তমানে দুটি রাস্তা রয়েছে এবং তারা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করছেন।স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, ভবিষ্যতে সরকারিভাবে রাস্তাটিতে ইট বসানো বা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রায় এক ফুট মাটি সমন্বয় করলেই রাস্তাটি স্বাভাবিকভাবে সমতল করা সম্ভব। তাই বর্তমানে চলাচলের উপযোগী রাস্তা থেকে কোনো ধরনের মাটি না কাটার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান রাস্তাটি যেভাবে রয়েছে, সেভাবেই রাখা হলে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো সমস্যা নেই। অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাটি কেটে রাস্তার উচ্চতা পরিবর্তন করা হলে ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগ ও আশপাশের বসতবাড়ির ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 

ট্যাগস :

চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর

উখিয়া হলদিয়ার হলুদবনিয়ায় শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে করা রাস্তাটি  মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম 

আপডেট সময় ১১:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।

উখিয়া হলদিয়ার হলুদবনিয়ায় শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে করা রাস্তাটি  মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম 

কক্সবাজার  উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হলুদবনিয়ায় দারুস সালাম মাদ্রাসা থেকে শাহাব মিয়ার বাড়ি হয়ে আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত শাহাব মিয়ার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত রাস্তাটি স্থানীয়দের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৮ সালে শাহাব মিয়া নিজস্ব অর্থায়নে দারুস সালাম মাদ্রাসা থেকে তাঁর বাড়ি ও আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা ও সেতু নির্মাণ করেন। বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ ও আদর্শ গ্রামের বাসিন্দারা নিয়মিত যাতায়াত করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনও চলাচল করছে।

হলুদবনিয়া দারুস সুন্নাহ আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা, স্থানীয় বাসিন্দা হাজী আলী আহমদ, রহমত আলী, বসু মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুস সালাম, আলমগীর এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর কোম্পানিসহ এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে রাস্তাটি ব্যবহার উপযোগী রয়েছে। তাদের যাতায়াতে  কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

স্থানীয়রা আরও জানান, আদর্শ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে শাহাব মিয়া দক্ষিণ দিক দিয়ে আরও একটি রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন। ওই অংশেও তাঁর দলিলভুক্ত জায়গা রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। ফলে আদর্শ গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য বর্তমানে দুটি রাস্তা রয়েছে।স্থানীয়দের ভাষ্য, শাহাব মিয়ার বাড়ি থেকে আদর্শ গ্রাম পর্যন্ত রাস্তাটি পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ভূমির তুলনায় সামান্য উঁচু। এটি আনুমানিক এক ফুট উঁচু হলেও পাহাড়ি এলাকার স্বাভাবিক ঢালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানান তারা।

এ এলাকায় টিলা ও উঁচু-নিচু পাহাড় থাকায় অনেক রাস্তা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা উঁচু ভূমির ওপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বর্তমানে চলাচলের উপযোগী রাস্তা থেকে পাহাড়ি মাটি কেটে নিচু করার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, মাটি কাটা হলে রাস্তার মাঝখানে গভীর গর্ত বা নিচু অংশ তৈরি হতে পারে। এতে দুই পাশের বসতবাড়ির মাটি সরে গিয়ে দেয়াল ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।তাদের আরও আশঙ্কা, রাস্তা নিচু করে দিলে ভবিষ্যতে পাহাড়ি পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রিরও পরিকল্পনা থাকতে পারে। 

স্হানীয় গ্রামের  মো. জসিম বলেন, রাস্তার মাটি কাটা হলে স্থানীয়  লোকজনের চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং আশপাশের বসতবাড়িও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা নুরুল আলম জানান, বর্তমানে তাদের যাতায়াতে কোনো সমস্যা নেই। সুন্দরভাবেই মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে। আয়াজ উদ্দিন, আবুল কালাম, রহিম আলী  ও নুরুল আমিনও জানান, তাদের জন্য বর্তমানে দুটি রাস্তা রয়েছে এবং তারা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করছেন।স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, ভবিষ্যতে সরকারিভাবে রাস্তাটিতে ইট বসানো বা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রায় এক ফুট মাটি সমন্বয় করলেই রাস্তাটি স্বাভাবিকভাবে সমতল করা সম্ভব। তাই বর্তমানে চলাচলের উপযোগী রাস্তা থেকে কোনো ধরনের মাটি না কাটার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান রাস্তাটি যেভাবে রয়েছে, সেভাবেই রাখা হলে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো সমস্যা নেই। অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাটি কেটে রাস্তার উচ্চতা পরিবর্তন করা হলে ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগ ও আশপাশের বসতবাড়ির ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।