ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রতি বুধবার কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতালে রোগী দেখবেন ও অপারেশন করবেন শিশু সার্জন ও ইউরোলজিস্ট বার্ন)রিকনস্ট্রাকটিভ ও কসমোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ শরীয়তপুর পৌরসভার ধানুকা এলাকায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সোনার পাড়ায় জালিয়াপালং ইউনিয়ন (উত্তর শাখা) বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে *অরিজিন হাসপাতাল ১দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🗓️ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোজ: বৃহস্পতিবার📍 স্থান: অরিজিন হাসপাতাল, কোটবাজার,উখিয়া কক্সবাজার। মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জামায়াত নেতার ভিডিও’- শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি উখিয়া উপজেলা জামায়াতের। 

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে শিশুসহ নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে চাপা ৫০ শিশুসহ প্রায় ১০০

ফিলিস্তিনের বিধ্বস্ত গাজা নগরীতে একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু পাঁচটি। অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ধসে পড়া ভবনটিতে ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল।

ভবনটি ইসরায়েলি হামলায় আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ঝুঁকিপূর্ণ সেই ভবনেই থাকতেন যুদ্ধে ঘরবাড়ি হারানো অসহায় ফিলিস্তিনিরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানান, অন্তত ছয়টি পরিবারের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছেন। উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

ঘটনাস্থলে কর্মরত গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের বরাতে আল-জাজিরা জানায়, ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো প্রায় ১০০ মানুষ আটকা পড়ে আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শিশু রয়েছে।

ভবন ধসের এ ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে গাজার কর্তৃপক্ষ। গাজার গণমাধ্যম দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনার জন্য আমরা দখলদার পক্ষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পুরোপুরি দায়ী করছি। বহুতল আবাসিক ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনা এ অঞ্চলে চলমান মানবিক বিপর্যয়কে আরও তীব্র করে তুলেছে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। এখন যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উপত্যকাটিতে হামলা থামায়নি দেশটি। ঘটছে প্রাণহানিও। যুদ্ধের জেরে পুরো গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে। লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এখন তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন।

ট্যাগস :

চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে শিশুসহ নিহত ১৪, ধ্বংসস্তূপে চাপা ৫০ শিশুসহ প্রায় ১০০

আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিস্তিনের বিধ্বস্ত গাজা নগরীতে একটি বহুতল আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শিশু পাঁচটি। অনেকে এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ধসে পড়া ভবনটিতে ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল।

ভবনটি ইসরায়েলি হামলায় আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ঝুঁকিপূর্ণ সেই ভবনেই থাকতেন যুদ্ধে ঘরবাড়ি হারানো অসহায় ফিলিস্তিনিরা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানান, অন্তত ছয়টি পরিবারের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছেন। উদ্ধার তৎপরতা চলছে।

ঘটনাস্থলে কর্মরত গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের বরাতে আল-জাজিরা জানায়, ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো প্রায় ১০০ মানুষ আটকা পড়ে আছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ শিশু রয়েছে।

ভবন ধসের এ ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে গাজার কর্তৃপক্ষ। গাজার গণমাধ্যম দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনার জন্য আমরা দখলদার পক্ষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পুরোপুরি দায়ী করছি। বহুতল আবাসিক ভবনটি ধসে পড়ার ঘটনা এ অঞ্চলে চলমান মানবিক বিপর্যয়কে আরও তীব্র করে তুলেছে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল। এখন যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উপত্যকাটিতে হামলা থামায়নি দেশটি। ঘটছে প্রাণহানিও। যুদ্ধের জেরে পুরো গাজায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস করা হয়েছে। লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এখন তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন।