ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই সন্তান অপহরণ, ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি… রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার রাজধানীর আলিয়া মাদরাসায় প্রবেশের রাস্তায় পুলিশের ব্যারিকেড গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যাও জরুরি: উখিয়ায় বাপার চারা বিতরণ উৎসবে ইউএনও পান্না আক্তার উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া উপজেলার এই প্রথম সপ্তাহে প্রতি মঙ্গলবার রোগী দেখবেন কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতাল (ব্রেইন , স্পাইন ও নার্ভ বিশেষজ্ঞ নিউরোসার্জন জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উখিয়া রাজাপালংয়ে জামায়াতের প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজাপালংয়ে জামায়াতের প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত এনআইডি করে দেওয়ার কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা খাইরুলের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট,

সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা খাইরুলের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি 

 

২০২১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক খাইরুল ইসলামের অমানবিক ও আইন বহির্ভূত কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় কক্সবাজারের সাংবাদিক ইমাম খাইরকে অজ্ঞাতনামা মোবাইল নাম্বার থেকে হুমকি প্রদান করা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই রাতে ০১৮৪০৩৩৩৩৭৭ নাম্বারধারী ব্যক্তি হুমকি প্রদানের সময় নিজেকে সিও খাইরুলের আত্মীয় পরিচয় দিয়েছেন। 

এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় জিডি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমাম খাইর। যার নং : ১৯৬৮/২৬। ২৯ জুলাই এন্ট্রিকৃত জিডিতে তিনি নিজের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করেছেন। ইমাম খাইর কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য। জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত রয়েছেন। তাছাড়া পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমাম খাইর বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পরে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন। মুক্ত সাংবাদিকতা ও উদার গণতন্ত্র চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ে সংবাদকর্মীকে হুমকি প্রদান প্রকারান্তরে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান। হুমকি দাদা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কক্সবাজারের ভূমিপুত্র সালাহউদ্দিন আহমদসহ সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আহ্বান জানাচ্ছি। 

এদিকে, সাংবাদিক ইমাম খাইরের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বের অবস্থান থেকে স্ট্যাটাসের পর হুমকি দেওয়াকে ন্যাক্কারজনক এবং অপরাধীচক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজ। হুমকি দাতাসহ সম্পৃক্ত সবার তথ্য নিয়ে আইনগত শাস্তি দাবি জানিয়েছেন তারা। 

এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর। 

তারা বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার অপব্যবহার করে, আইনের পোশাক পরে খাইরুল অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় ঘরছাড়া করেছেন। ক্ষমতার দম্ভে তার নেতৃত্বে সংঘটিত অপরাধ ফৌজদারী আইনে ক্ষমার অযোগ্য। 

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ইমাম খাইর কক্সবাজার ক্লাবের সদস্য। জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় কর্মরত পরিচিত সাংবাদিক। খাইরুলের দায়িত্বকালে ইমাম খাইর এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাবের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীলসহ একদল সাংবাদিককে নিজের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে হেনস্থা ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষ একজন নেতার নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিক অপরাধ কর্ম চালালেও খাইরুলের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস পায়নি কেউ। 

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সুবাদে ক্ষমতার পালা বদলের পর দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে আইনি পোশাক পরে নানা অপরাধকর্মে জড়িত বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে আটক করেছে সরকার। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে বাংলাদেশ। এই সময়ে সাহস করে একজন ভিকটিম হিসেবে নিজের ফেসবুকে লিখে অনুভূতি প্রকাশ করা স্বাভাবিক। 

কিন্তু এই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে খাইরুলের আত্মীয় পরিচয়ে একজন সংবাদকর্মীকে হুমকি প্রদানের বিষয়টি খুবই উদ্বেগ ও দুঃখজনক। এই ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঘটনায় জড়িত অপরাধীচক্রকে সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। 

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, খাইরুল ইসলাম র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক পদ ব্যবহার করে স্বৈরাচারের এজান্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। তার সময়কালে সংঘটিত আইন বহির্ভূত সমস্ত ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। 

ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের অবসান হয়েছে। এই সময়েও সাংবাদিকের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না বলেই মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের সাংবাদিক সমাজ। 

ইমাম খাইরকে হুমকি প্রদানের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, সাধারণ সম্পাদক আমানুল হক বাবুল, বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কক্সবাজার সভাপতি এম আর মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক আহসান সুমন, কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি স ম ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম হোবাইব সজীব, সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক বলরাম দাস অনুপমসহ কক্সবাজারের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজ। 

তারা সাংবাদিক ইমাম খাইরকে হুমকি প্রদানকারী নাম্বারধারী ব্যক্তিসহ নেপথ্যে থাকা অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই সন্তান অপহরণ, ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি…

সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা খাইরুলের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি

আপডেট সময় ১০:০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট,

সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তা খাইরুলের অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি 

 

২০২১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক খাইরুল ইসলামের অমানবিক ও আইন বহির্ভূত কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় কক্সবাজারের সাংবাদিক ইমাম খাইরকে অজ্ঞাতনামা মোবাইল নাম্বার থেকে হুমকি প্রদান করা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই রাতে ০১৮৪০৩৩৩৩৭৭ নাম্বারধারী ব্যক্তি হুমকি প্রদানের সময় নিজেকে সিও খাইরুলের আত্মীয় পরিচয় দিয়েছেন। 

এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় জিডি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমাম খাইর। যার নং : ১৯৬৮/২৬। ২৯ জুলাই এন্ট্রিকৃত জিডিতে তিনি নিজের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করেছেন। ইমাম খাইর কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য। জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত রয়েছেন। তাছাড়া পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ইমাম খাইর বলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পরে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন। মুক্ত সাংবাদিকতা ও উদার গণতন্ত্র চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই সময়ে সংবাদকর্মীকে হুমকি প্রদান প্রকারান্তরে সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান। হুমকি দাদা ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কক্সবাজারের ভূমিপুত্র সালাহউদ্দিন আহমদসহ সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট আহ্বান জানাচ্ছি। 

এদিকে, সাংবাদিক ইমাম খাইরের ব্যক্তি স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বের অবস্থান থেকে স্ট্যাটাসের পর হুমকি দেওয়াকে ন্যাক্কারজনক এবং অপরাধীচক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজ। হুমকি দাতাসহ সম্পৃক্ত সবার তথ্য নিয়ে আইনগত শাস্তি দাবি জানিয়েছেন তারা। 

এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর। 

তারা বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার অপব্যবহার করে, আইনের পোশাক পরে খাইরুল অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় ঘরছাড়া করেছেন। ক্ষমতার দম্ভে তার নেতৃত্বে সংঘটিত অপরাধ ফৌজদারী আইনে ক্ষমার অযোগ্য। 

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ইমাম খাইর কক্সবাজার ক্লাবের সদস্য। জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় কর্মরত পরিচিত সাংবাদিক। খাইরুলের দায়িত্বকালে ইমাম খাইর এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাবের বেশ কয়েকজন দায়িত্বশীলসহ একদল সাংবাদিককে নিজের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে হেনস্থা ও মানসিক নির্যাতন করেছেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষ একজন নেতার নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিক অপরাধ কর্ম চালালেও খাইরুলের অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাহস পায়নি কেউ। 

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সুবাদে ক্ষমতার পালা বদলের পর দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতোমধ্যে আইনি পোশাক পরে নানা অপরাধকর্মে জড়িত বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে আটক করেছে সরকার। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে বাংলাদেশ। এই সময়ে সাহস করে একজন ভিকটিম হিসেবে নিজের ফেসবুকে লিখে অনুভূতি প্রকাশ করা স্বাভাবিক। 

কিন্তু এই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে খাইরুলের আত্মীয় পরিচয়ে একজন সংবাদকর্মীকে হুমকি প্রদানের বিষয়টি খুবই উদ্বেগ ও দুঃখজনক। এই ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঘটনায় জড়িত অপরাধীচক্রকে সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। 

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, খাইরুল ইসলাম র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক পদ ব্যবহার করে স্বৈরাচারের এজান্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। তার সময়কালে সংঘটিত আইন বহির্ভূত সমস্ত ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। 

ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের অবসান হয়েছে। এই সময়েও সাংবাদিকের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না বলেই মন্তব্য করেছেন কক্সবাজারের সাংবাদিক সমাজ। 

ইমাম খাইরকে হুমকি প্রদানের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি এম আর খোকন, সাধারণ সম্পাদক আমানুল হক বাবুল, বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কক্সবাজার সভাপতি এম আর মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক আহসান সুমন, কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি স ম ইকবাল বাহার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম হোবাইব সজীব, সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক বলরাম দাস অনুপমসহ কক্সবাজারের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাজ। 

তারা সাংবাদিক ইমাম খাইরকে হুমকি প্রদানকারী নাম্বারধারী ব্যক্তিসহ নেপথ্যে থাকা অপরাধীচক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।