ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির দুধ পান করে ১৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রতি বুধবার কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতালে রোগী দেখবেন ও অপারেশন করবেন শিশু সার্জন ও ইউরোলজিস্ট বার্ন)রিকনস্ট্রাকটিভ ও কসমোটিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ শরীয়তপুর পৌরসভার ধানুকা এলাকায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে। দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সোনার পাড়ায় জালিয়াপালং ইউনিয়ন (উত্তর শাখা) বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে ১১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে *অরিজিন হাসপাতাল ১দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প 🗓️ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রোজ: বৃহস্পতিবার📍 স্থান: অরিজিন হাসপাতাল, কোটবাজার,উখিয়া কক্সবাজার। মক্কার মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার ভোররাতে ইন্তেকাল করেন তিনি। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জামায়াত নেতার ভিডিও’- শীর্ষক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি উখিয়া উপজেলা জামায়াতের। 
উখিয়ার সোনারপাড়ার জরাজীর্ণ সাইক্লোন সেন্টার অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

ঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী, ধসের অপেক্ষায় ভবন

উখিয়ার সোনারপাড়ার জরাজীর্ণ সাইক্লোন সেন্টার অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনারপাড়ায় অবস্থিত একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত সাইক্লোন সেন্টার এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। মাদ্রাসা, স্কুল, এতিমখানা ও কেন্দ্রীয় মসজিদের মাঝখানে অবস্থিত ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পর নির্মিত বহুমুখী এই সাইক্লোন সেন্টারটি দীর্ঘদিন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় সেবা দেওয়ার পর ২০১৮-১৯ সালের দিকে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

বর্তমানে ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার ও ইট খসে পড়ছে। লোনা বাতাসে রডে মরিচা ধরে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক অংশের দেয়াল ঝুলে রয়েছে। ফলে সামান্য ঝড়-বৃষ্টি, প্রবল বাতাস কিংবা ভূমিকম্পেও ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঝুঁকি বিবেচনায় পুরোনো ভবনের পাশেই নতুন একটি আধুনিক সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করা হলেও জরাজীর্ণ ভবনটি এখনো অপসারণ করা হয়নি। অথচ এর পাশেই রয়েছে একটি দাখিল মাদ্রাসা, উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেফজখানা, এতিমখানা ও কেন্দ্রীয় মসজিদ। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এই ভবনের পাশ দিয়ে যাতায়াত করে। টিফিন কিংবা খেলাধুলার সময় অনেক শিক্ষার্থী ভবনের নিচে অবস্থান করে। একই পথে চলাচল করেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং প্রতিদিন শত শত মুসল্লি মসজিদে যাতায়াত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিত্যক্ত ঘোষণার পরও বছরের পর বছর ধরে ভবনটি অপসারণে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঝড়-বৃষ্টির সময় ভবনের পাশ দিয়ে চলাচল করতে আতঙ্কে থাকতে হয়। যেকোনো মুহূর্তে ভবনের ছাদ, দেয়াল বা কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসন করে জরুরি ভিত্তিতে ভবনটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। তাদের ভাষ্য, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেভাগেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, ভবনটি অপসারণ না করা হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যেই থেকে যাবে। তাই সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস :

চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ, সিজারের ছয় মাস পর প্রাণ গেল নার্স বিথীর

উখিয়ার সোনারপাড়ার জরাজীর্ণ সাইক্লোন সেন্টার অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

ঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী, ধসের অপেক্ষায় ভবন

আপডেট সময় ০৭:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

উখিয়ার সোনারপাড়ার জরাজীর্ণ সাইক্লোন সেন্টার অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনারপাড়ায় অবস্থিত একটি জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত সাইক্লোন সেন্টার এখন স্থানীয়দের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। মাদ্রাসা, স্কুল, এতিমখানা ও কেন্দ্রীয় মসজিদের মাঝখানে অবস্থিত ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের পর নির্মিত বহুমুখী এই সাইক্লোন সেন্টারটি দীর্ঘদিন আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় সেবা দেওয়ার পর ২০১৮-১৯ সালের দিকে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

বর্তমানে ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার ও ইট খসে পড়ছে। লোনা বাতাসে রডে মরিচা ধরে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক অংশের দেয়াল ঝুলে রয়েছে। ফলে সামান্য ঝড়-বৃষ্টি, প্রবল বাতাস কিংবা ভূমিকম্পেও ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঝুঁকি বিবেচনায় পুরোনো ভবনের পাশেই নতুন একটি আধুনিক সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করা হলেও জরাজীর্ণ ভবনটি এখনো অপসারণ করা হয়নি। অথচ এর পাশেই রয়েছে একটি দাখিল মাদ্রাসা, উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হেফজখানা, এতিমখানা ও কেন্দ্রীয় মসজিদ। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এই ভবনের পাশ দিয়ে যাতায়াত করে। টিফিন কিংবা খেলাধুলার সময় অনেক শিক্ষার্থী ভবনের নিচে অবস্থান করে। একই পথে চলাচল করেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং প্রতিদিন শত শত মুসল্লি মসজিদে যাতায়াত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিত্যক্ত ঘোষণার পরও বছরের পর বছর ধরে ভবনটি অপসারণে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঝড়-বৃষ্টির সময় ভবনের পাশ দিয়ে চলাচল করতে আতঙ্কে থাকতে হয়। যেকোনো মুহূর্তে ভবনের ছাদ, দেয়াল বা কংক্রিটের অংশ ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসন করে জরুরি ভিত্তিতে ভবনটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। তাদের ভাষ্য, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেভাগেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, ভবনটি অপসারণ না করা হলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যেই থেকে যাবে। তাই সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।