ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় যৌথ কমিটিতে বিরোধীদলের পাঁচ সদস্যের নাম ঘোষণা হ্নীলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা আমীর আনোয়ারী তুলাতুলি পূর্ব খুল নূরানি মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন রত্নাপালং ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, আজিজুর রহমান আজিজু রাজনীতির পুরনো বৃত্তে নতুন সরকার? ২৮ বছরের ঝুঁকি পেরিয়ে লোহার সেতু: স্বস্তিতে পূর্ব ভালুকিয়ার মানুষ প্রতিবন্ধীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি আজিজুর রহমান “কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে” ঘুমধুমের পাহাড়ে তীব্র পানির সংকট: মাইলের পর মাইল হেঁটে পানির সন্ধানে মানুষ গণভোটের রায় না মানলে সরকারকে ‘অবৈধ ঘোষণা’ করে আন্দোলন: এনসিপি ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

রাজনীতির পুরনো বৃত্তে নতুন সরকার?

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কথা বারবার প্রমাণিত হয়েছে—উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও জনআস্থা অদৃশ্য থেকে যেতে পারে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘ভরসা রাখুন নৌকায়’ স্লোগানটি কেবল একটি রাজনৈতিক প্রবাদ ছিলোনা, বরং তা ছিলো একচ্ছত্র শাসনের একটি প্রতীক। তারা মেগা প্রজেক্ট করেছে, অবকাঠামোগত উন্নয়নের মহোৎসব দেখিয়েছে; কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার আর বাকস্বাধীনতা হরণ করে যে আস্থার সংকট তৈরি করেছিল, তার চড়া মূল্য তাদের দিতে হয়েছে।

 

জনবিচ্ছিন্ন উন্নয়ন যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে, তা আমরা গত ৫ আগস্ট দেখেছি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ক্ষমতার পালাবদল হলেও রাজনীতির সেই পুরনো সংস্কৃতি যেন রয়েই গেছে। বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এক মাসেই নাকি জনগণের ‘আস্থা’ ফিরে এসেছে। প্রশ্ন জাগে, এই আস্থা আসলে কাদের?

 

যেকোনো সরকার যখন দাবি করে যে, তারা অল্প সময়ে অভাবনীয় আস্থা অর্জন করেছে, তখন সচেতন নাগরিকদের মনে সংশয় জাগাটাই স্বাভাবিক। এই তথাকথিত আস্থা হয়তো সে শ্রেণির মানুষের মধ্যে যারা দলকানা হিসেবে পরিচিত, কিংবা যারা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সরাসরি সুবিধাভোগী। মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট যারা সবসময় ক্ষমতার ছায়ায় বেড়ে ওঠে, তাদের কাছে ‘আস্থা’ মানেই হলো নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু রিকশাওয়ালা, কৃষক, দিনমজুর কিংবা মধ্যবিত্ত—যাদের জীবন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর অনিশ্চয়তায় পিষ্ট, তাদের কাছে কি সত্যিই এক মাসে আস্থা ফিরেছে?

 

বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের শাসকরা জনগণের মনের ভাষা বুঝতে সবসময়ই ব্যর্থ হয়েছে। তারা জনগণের পালস বোঝার চেয়ে নিজেদের প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। জনগণের ক্ষোভকে তারা দেখে ষড়যন্ত্র হিসেবে, আর জনগণের নীরবতাকে দেখে সমর্থন হিসেবে। ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি দলই মনে করে তারা যা করছে তাই সঠিক, আর মানুষ তা হাসিমুখে মেনে নিচ্ছে। এই যে ‘বুঝার ভান করা’র সংস্কৃতি, এটাই শেষ পর্যন্ত সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

 

ইতিহাস সাক্ষী, কেবল কার্ড বিতরণ বা গুটিকয়েক সুবিধাভোগী তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদী জনসমর্থন পাওয়া যায় না। প্রকৃত আস্থা তখনই ফেরে যখন সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারে, যখন বাজারে গিয়ে পকেটের ওপর চাপ কমে এবং যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। বর্তমান সরকার যদি পূর্বসূরিদের মতো কেবল স্লোগান আর কার্ডনির্ভর আস্থার ওপর ভর করে চলতে চায়, তবে তারা জনগণের মনের আসল ভাষা বুঝতে আবার বড় ভুল করবে।

 

২.

তাছাড়াও জুলাই আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে যে প্রত্যাশার পাহাড় নিয়ে মানুষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে তাকিয়ে ছিলো, সেখানে এখন জমা হচ্ছে একরাশ হতাশা, বিষন্নতা আর অবিশ্বাসের তীব্রতা। 

 

বিশেষ করে ‘জুলাই সনদের’ দাবি ও আদর্শ বাস্তবায়নে সরকারের যে গড়িমসি, তা জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করছে। রাজপথে রক্ত দিয়ে যে তরুণ প্রজন্ম এই পরিবর্তন এনেছিল, সেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে ক্ষমতায় বসলেও এখন তা বাস্তবায়নে যেন এক ধরনের অনীহা কাজ করছে। পল্টি মারার এই পুরনো রাজনৈতিক রোগটি যদি বর্তমান সরকারকেও গ্রাস করে, তবে তা হবে গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

 

প্রশাসনের সংস্কার এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ তো দূরের কথা, সরকারের গৃহিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতা দৃশ্যমান। একদিকে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে। এর ওপর যোগ হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পুঞ্জীভূত অসন্তোষ। নতুন পে-স্কেলের যৌক্তিক দাবি পূরণ না করে তাদের ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যা প্রশাসনের গতিশীলতাকে স্থবির করে দিচ্ছে। যখন যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা সুবিধাভোগী গোষ্ঠী তৈরি করতে গিয়ে সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে দেয়। বর্তমান সময়েও কি আমরা সেই একই চিত্র দেখছি না?

 

জনগণ ভেবেছিলো, এ সরকার হবে সাহসী এবং আপসহীন। কিন্তু জুলাই সনদের প্রতিটি শর্ত হুবহু বাস্তবায়ন না করে তাতে কাটছাঁট বা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা প্রকারান্তরে পুরনো ব্যবস্থাকেই পুনরুজ্জীবিত করারই নামান্তর। জনগণের মনের ভাষা বুঝতে না পেরে সরকার যদি কেবল গুটিকয়েক সুবিধাভোগী আর আমলাদের ওপর নির্ভর করে চলতে চায়, তবে আস্থার সংকট ঘনীভূত হওয়াই স্বাভাবিক।

 

সময় এসেছে রাজনীতির এই পুরনো খোলস থেকে বেরিয়ে আসার। সরকার জনগণের শাসক নয়, সেবক- এ সত্যটি কেবল কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় ‘আস্থা ফিরেছে’ এমন বাগাড়ম্বর কেবল পত্রিকার শিরোনামই হবে, জনগণের হৃদয়ে তার কোনো স্থান হবে না।

 

 

লেখক:  এম জসিম উদ্দিন,গবেষক (এম.ফিল), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় যৌথ কমিটিতে বিরোধীদলের পাঁচ সদস্যের নাম ঘোষণা

রাজনীতির পুরনো বৃত্তে নতুন সরকার?

আপডেট সময় ১২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কথা বারবার প্রমাণিত হয়েছে—উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও জনআস্থা অদৃশ্য থেকে যেতে পারে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘ভরসা রাখুন নৌকায়’ স্লোগানটি কেবল একটি রাজনৈতিক প্রবাদ ছিলোনা, বরং তা ছিলো একচ্ছত্র শাসনের একটি প্রতীক। তারা মেগা প্রজেক্ট করেছে, অবকাঠামোগত উন্নয়নের মহোৎসব দেখিয়েছে; কিন্তু সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার আর বাকস্বাধীনতা হরণ করে যে আস্থার সংকট তৈরি করেছিল, তার চড়া মূল্য তাদের দিতে হয়েছে।

 

জনবিচ্ছিন্ন উন্নয়ন যে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে, তা আমরা গত ৫ আগস্ট দেখেছি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ক্ষমতার পালাবদল হলেও রাজনীতির সেই পুরনো সংস্কৃতি যেন রয়েই গেছে। বর্তমান ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এক মাসেই নাকি জনগণের ‘আস্থা’ ফিরে এসেছে। প্রশ্ন জাগে, এই আস্থা আসলে কাদের?

 

যেকোনো সরকার যখন দাবি করে যে, তারা অল্প সময়ে অভাবনীয় আস্থা অর্জন করেছে, তখন সচেতন নাগরিকদের মনে সংশয় জাগাটাই স্বাভাবিক। এই তথাকথিত আস্থা হয়তো সে শ্রেণির মানুষের মধ্যে যারা দলকানা হিসেবে পরিচিত, কিংবা যারা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সরাসরি সুবিধাভোগী। মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট যারা সবসময় ক্ষমতার ছায়ায় বেড়ে ওঠে, তাদের কাছে ‘আস্থা’ মানেই হলো নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু রিকশাওয়ালা, কৃষক, দিনমজুর কিংবা মধ্যবিত্ত—যাদের জীবন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর অনিশ্চয়তায় পিষ্ট, তাদের কাছে কি সত্যিই এক মাসে আস্থা ফিরেছে?

 

বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের শাসকরা জনগণের মনের ভাষা বুঝতে সবসময়ই ব্যর্থ হয়েছে। তারা জনগণের পালস বোঝার চেয়ে নিজেদের প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। জনগণের ক্ষোভকে তারা দেখে ষড়যন্ত্র হিসেবে, আর জনগণের নীরবতাকে দেখে সমর্থন হিসেবে। ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি দলই মনে করে তারা যা করছে তাই সঠিক, আর মানুষ তা হাসিমুখে মেনে নিচ্ছে। এই যে ‘বুঝার ভান করা’র সংস্কৃতি, এটাই শেষ পর্যন্ত সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন করে ফেলে।

 

ইতিহাস সাক্ষী, কেবল কার্ড বিতরণ বা গুটিকয়েক সুবিধাভোগী তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদী জনসমর্থন পাওয়া যায় না। প্রকৃত আস্থা তখনই ফেরে যখন সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারে, যখন বাজারে গিয়ে পকেটের ওপর চাপ কমে এবং যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। বর্তমান সরকার যদি পূর্বসূরিদের মতো কেবল স্লোগান আর কার্ডনির্ভর আস্থার ওপর ভর করে চলতে চায়, তবে তারা জনগণের মনের আসল ভাষা বুঝতে আবার বড় ভুল করবে।

 

২.

তাছাড়াও জুলাই আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে যে প্রত্যাশার পাহাড় নিয়ে মানুষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে তাকিয়ে ছিলো, সেখানে এখন জমা হচ্ছে একরাশ হতাশা, বিষন্নতা আর অবিশ্বাসের তীব্রতা। 

 

বিশেষ করে ‘জুলাই সনদের’ দাবি ও আদর্শ বাস্তবায়নে সরকারের যে গড়িমসি, তা জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করছে। রাজপথে রক্ত দিয়ে যে তরুণ প্রজন্ম এই পরিবর্তন এনেছিল, সেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে ক্ষমতায় বসলেও এখন তা বাস্তবায়নে যেন এক ধরনের অনীহা কাজ করছে। পল্টি মারার এই পুরনো রাজনৈতিক রোগটি যদি বর্তমান সরকারকেও গ্রাস করে, তবে তা হবে গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

 

প্রশাসনের সংস্কার এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ তো দূরের কথা, সরকারের গৃহিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতা দৃশ্যমান। একদিকে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে। এর ওপর যোগ হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে পুঞ্জীভূত অসন্তোষ। নতুন পে-স্কেলের যৌক্তিক দাবি পূরণ না করে তাদের ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যা প্রশাসনের গতিশীলতাকে স্থবির করে দিচ্ছে। যখন যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা সুবিধাভোগী গোষ্ঠী তৈরি করতে গিয়ে সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তাদের মনোবল ভেঙে দেয়। বর্তমান সময়েও কি আমরা সেই একই চিত্র দেখছি না?

 

জনগণ ভেবেছিলো, এ সরকার হবে সাহসী এবং আপসহীন। কিন্তু জুলাই সনদের প্রতিটি শর্ত হুবহু বাস্তবায়ন না করে তাতে কাটছাঁট বা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা প্রকারান্তরে পুরনো ব্যবস্থাকেই পুনরুজ্জীবিত করারই নামান্তর। জনগণের মনের ভাষা বুঝতে না পেরে সরকার যদি কেবল গুটিকয়েক সুবিধাভোগী আর আমলাদের ওপর নির্ভর করে চলতে চায়, তবে আস্থার সংকট ঘনীভূত হওয়াই স্বাভাবিক।

 

সময় এসেছে রাজনীতির এই পুরনো খোলস থেকে বেরিয়ে আসার। সরকার জনগণের শাসক নয়, সেবক- এ সত্যটি কেবল কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় ‘আস্থা ফিরেছে’ এমন বাগাড়ম্বর কেবল পত্রিকার শিরোনামই হবে, জনগণের হৃদয়ে তার কোনো স্থান হবে না।

 

 

লেখক:  এম জসিম উদ্দিন,গবেষক (এম.ফিল), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।