ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উখিয়ায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই সন্তান অপহরণ, ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি… রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার রাজধানীর আলিয়া মাদরাসায় প্রবেশের রাস্তায় পুলিশের ব্যারিকেড গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যাও জরুরি: উখিয়ায় বাপার চারা বিতরণ উৎসবে ইউএনও পান্না আক্তার উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া উপজেলার এই প্রথম সপ্তাহে প্রতি মঙ্গলবার রোগী দেখবেন কোর্টবাজার অরিজিন হাসপাতাল (ব্রেইন , স্পাইন ও নার্ভ বিশেষজ্ঞ নিউরোসার্জন জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে উখিয়া রাজাপালংয়ে জামায়াতের প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজাপালংয়ে জামায়াতের প্রস্তুতি বৈঠক অনুষ্ঠিত এনআইডি করে দেওয়ার কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

বনভূমি রক্ষায় সক্রিয় উখিয়া রেঞ্জ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ রেঞ্জ কর্মকর্তার

  • ABDULLAH AL JUBAIR
  • আপডেট সময় ১২:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 87

বনভূমি রক্ষায় সক্রিয় উখিয়া রেঞ্জ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় কক্সবাজারের উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে যে অনিয়মের অভিযোগ করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বনভূমি দখল প্রতিরোধ এবং পাহাড় কাটা রোধে উখিয়া রেঞ্জ সর্বদা তৎপর।

বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে চরম তৎপরতার মাধ্যমে জবরদখল প্রতিরোধ, পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা বন্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে উখিয়া রেঞ্জে ১১০টিরও বেশি বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা প্রতিরোধে ১৫টিরও বেশি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করা হয়েছে এবং ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। উখিয়া রেঞ্জ কোনো গাছ পাচারকারীর সঙ্গে জড়িত নয়—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

বনভূমিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে উখিয়া রেঞ্জের সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগটিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সম্প্রতি অনেকগুলো পাকা ও সেমিপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ১৫ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। যখনই কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে জবরদখলের চেষ্টা করা হয়, তখনই উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হয়।

উখিয়া রেঞ্জ একটি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা। এখানে প্রায় ২০ লাখ রোহিঙ্গা ২৬টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। বিভিন্ন এনজিও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কাজ করে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে এসব এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে নতুন করে কোনো এনজিওকে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের সেল্টার নির্মাণে ব্যবহৃত বাঁশগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্যাম্পে আনা হয়। বন বিভাগের চেকপোস্টগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই করা হয়।

উক্ত প্রতিবেদক আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার বিরুদ্ধে ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে তার আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
প্রতিবাদকারী
মো: শাহিনুর ইসলাম, সহকারী বন সংরক্ষণ,রেঞ্জ প্রশিক্ষণে উখিয়া রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই সন্তান অপহরণ, ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি…

বনভূমি রক্ষায় সক্রিয় উখিয়া রেঞ্জ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ রেঞ্জ কর্মকর্তার

আপডেট সময় ১২:০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

বনভূমি রক্ষায় সক্রিয় উখিয়া রেঞ্জ, অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা।

সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় কক্সবাজারের উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে যে অনিয়মের অভিযোগ করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বনভূমি দখল প্রতিরোধ এবং পাহাড় কাটা রোধে উখিয়া রেঞ্জ সর্বদা তৎপর।

বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে চরম তৎপরতার মাধ্যমে জবরদখল প্রতিরোধ, পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা বন্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে উখিয়া রেঞ্জে ১১০টিরও বেশি বন মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে পাহাড় কাটা ও গাছ কাটা প্রতিরোধে ১৫টিরও বেশি ডাম্পার ট্রাক জব্দ করা হয়েছে এবং ৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। উখিয়া রেঞ্জ কোনো গাছ পাচারকারীর সঙ্গে জড়িত নয়—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

বনভূমিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে উখিয়া রেঞ্জের সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগটিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সম্প্রতি অনেকগুলো পাকা ও সেমিপাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ১৫ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। যখনই কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে জবরদখলের চেষ্টা করা হয়, তখনই উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তার নেতৃত্বে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হয়।

উখিয়া রেঞ্জ একটি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা। এখানে প্রায় ২০ লাখ রোহিঙ্গা ২৬টি ক্যাম্পে বসবাস করছে। বিভিন্ন এনজিও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কাজ করে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে এসব এনজিও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে নতুন করে কোনো এনজিওকে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

রোহিঙ্গাদের সেল্টার নির্মাণে ব্যবহৃত বাঁশগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্যাম্পে আনা হয়। বন বিভাগের চেকপোস্টগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী কাগজপত্র যাচাই করা হয়।

উক্ত প্রতিবেদক আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার বিরুদ্ধে ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
উখিয়া রেঞ্জের বিরুদ্ধে তার আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মনগড়া, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
প্রতিবাদকারী
মো: শাহিনুর ইসলাম, সহকারী বন সংরক্ষণ,রেঞ্জ প্রশিক্ষণে উখিয়া রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।